২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বইতে শুরু করেছে বিতর্কের ঝড়। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই আসর বয়কটের আহ্বান জানিয়েছেন ইউরোপের একাধিক রাজনীতিক ও বিশ্লেষক। তাদের দাবি, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের প্রেক্ষাপটে বিশ্বকাপ আয়োজনের নৈতিকতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে।
গত ৬ জানুয়ারি, যুক্তরাজ্যের ২৫ জন সংসদ সদস্য বৈশ্বিক ক্রীড়া সংস্থাগুলোর কাছে একটি জোরালো দাবি তুলেছেন। তাদের দাবি ছিল আন্তর্জাতিক আইন মানার সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি না থাকলে যুক্তরাষ্ট্রকে ২০২৬ সালের আয়োজক তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হোক।
একই সুরে সুর মিলিয়েছেন ফরাসি সংসদ সদস্য এরিক কোকেরেল। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ এমন নীতিমালাকে বৈধতা দিতে পারে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের পরিপন্থী।
সমালোচনার বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার প্রশাসনের অভিবাসন দমন অভিযান ও নাগরিক স্বাধীনতা ইস্যুতে বিতর্কের পাশাপাশি গাজা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক ও সামরিক সহায়তাও আলোচনায় এসেছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে গাজায় ব্যাপক প্রাণহানি ও অবকাঠামো ধ্বংসের অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতাল, স্কুল ও আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; বাস্তুচ্যুত হয়েছে লক্ষাধিক মানুষ। এই প্রেক্ষাপটে ১৯৭৬ সালের মন্ট্রিয়ল অলিম্পিকের ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত সামনে আসছে।



























আপনার মতামত লিখুন :