Swadesh Chitro
  • ঢাকা রবিবার, ১০ মে, ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩
banner

সিরাজগঞ্জ পৌরবাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিলেন, হাজী আব্দুস সাত্তার


FavIcon
স্বদেশ চিত্র অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশিত: মে ৯, ২০২৬, ০৬:৫৩ পিএম
সিরাজগঞ্জ পৌরবাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিলেন, হাজী আব্দুস সাত্তার
সিরাজগঞ্জ পৌরবাসীর হৃদয়ে স্থান করে নিলেন, হাজী আব্দুস সাত্তার

সততা,আত্মবিশ্বাস মানুষকে সন্মানের উচ্চ শিখরে পৌঁছে দেয়, আর ভালো কাজ করে মানুষের হৃদয়ে যে স্থান করে নেয়া যায়, তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, হাজী আব্দুস সাত্তার। দলমত নির্বিশেষে সকলের নিকট তিনি এখন মানবতার এক ফেরিওয়ালা। 

আমার যার কথা বলছি তিনি হলেন, সিরাজগঞ্জের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী,সমাজ সেবক, দানশীল, ধর্মভীরু, উদারমনা হৃদয়ে অধিকারী হাজী আব্দুস সাত্তার। তাঁকে নিয়ে রাজনৈতিক অংঙ্গনে রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের মধ্যে রয়েছে দ্বিধা দ্বন্দ্ব। রয়েছে স্যোসাল মিডিয়ায় অব্যাহত অপপ্রচার। তবুও থামাতে পারেনি তার ভালো কাজ করার উৎসাহ ও প্রেরণাকে। 

একের পর এক সেবামূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে তিনি পৌরবাসীর হৃদয়ে করে নিয়েছেন স্থান। 

পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ, আর এই বাক্যকে বুকে ধারণ করে, শহরকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে নিজের টাকা ব্যায় করে, প্রতিদিন লোকজন নিয়ে শহরের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করছেন, তিনি নিজেও। ইতিপূর্বে কোন রাজনৈতিক দলের নেতা বা কোন জনপ্রতিনিধিকে এ কাজটি করতে দেখেননি, সিরাজগঞ্জ পৌরবাসী। 

ইতি পূর্বে তিনি লক্ষ লক্ষ টাকার পাম বৃক্ষ রোপন করছেন, শহরজুড়ে নিজের টাকায়।

দানশীল ব্যক্তিকে আল্লাহ পছন্দ করেন,তাই তিনি পরম করুণময় আল্লাহতালাকে সন্তুষ্ট করতে, দু'হাতে প্রতিদিনই হাজার হাজার টাকা  দান- খয়রাত করেন।

অসহায় কোন মা- বাবা টাকার অভাবে তাঁর  উপযুক্ত মেয়ের বিয়ে দিতে পারাচ্ছে না। এর জন্য সাহায্য দরকার। হাজী আব্দুস সাত্তারের কাছে গেলে, সাথে সাথে তিনি বড় রকমের আর্থিক সহযোগিতা করছেন। সিরাজগঞ্জ শহরে অনেক ধনকুব রয়েছেন কিন্তু হাজী আব্দুস সাত্তারের মত বিশাল হৃদয়ের অধিকারী রয়েছেন, খুবই নগন্য। তার বক্তব্য একটাই দান করলে কখনো অর্থ সম্পদ কমে যায় না। 

তিনি আরও বলেন, আল্লাহ পাক আমাকে ধন সম্পদ দিয়েছেন, নিজের জন্য নয়। বরংচ গরীব অসহায় মানুষগুলোকে সাহায্য সহযোগিতা করার জন্য। আল্লাহ ধন- সম্পদ দিয়েও মানুষের মন পরীক্ষা করেন। 

তিনি মানব কল্যানে নিজের অর্থায়নে গড়ে তুলছেন, সাত্তার ফাউন্ডেশন নামক প্রতিষ্ঠান। যে প্রতিষ্ঠানের কাজই হচ্ছে মানুষের কল্যানে কাজ করা। 

তিনি সমাজের অসায় নারীদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে নিজের অর্থায়নে, অসহায় নারীদের সেলাই প্রশিক্ষণের পাশাপাশি, তাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন সেলাই মেশিন। অনেক এনজিও আছে তার এধরণের কাজ করেন, তবে তারা অন্যের অর্থের উপর নির্ভরশীল। এক্ষেত্রে হাজী আব্দুস সাত্তার সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। তিনি তার উপার্জিত অর্থের বড় অংশটুকুই ব্যায় করেন, মানব কল্যানে। 

ইতিপূর্বে সিরাজগঞ্জ শহরে শিশুদের বিনোদনের ছিল না কোন স্থান। হাজী আব্দুস সাত্তার নিজ অর্থায়নে যমুনার তীরে সরকারি জায়গা লিজ নিয়ে, গড়ে তোলেন পৌর শিশু পার্ক। যেখানে বিকেল হলেই অভিভাবকরা তাদের সন্তানকে নিয়ে আসেন এই পার্কে। নিজেরা কিছুটা সময় কাটান আর তাদের সন্তানেরা উপভোগ করেন, খেলাধুলা ও বিনোদন। অথচ এই কাজটি করার দায়িত্ব ছিল,  পৌরসভার কিম্বা কোন জনপ্রতিনিধির। 

তার চিন্তা - ধারণা যে কোন দলীয় জনপ্রতিনিধির থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। তার একটাই উদ্দেশ্য জনকল্যাণমুখী কাজ করে যাওয়া। 

যে কারণে পৌরবাসীর এক তৃতীয়াংশ জনগণের বক্তব্য ইতিপূর্বে আমরা অনেক রাজনৈতিক ব্যক্তিকে মেয়র বানিয়েছি, তাঁরা শুধু লুটপাটের মাধ্যমে নিজেরা লাভবান হয়েছেন।পৌরবাসীর কোন লাভ হয়নি। হাজী আব্দুস সাত্তার মত লোক আসন্ন সিরাজগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসাবে দরকার।  

তারা আরও বলেন, হাজী আব্দুস সাত্তার যদি মেয়র হন, তিনি জনকল্যাণমুখী কাজ করবেন। পৌরসভাকে আধুনিক মডেল পৌরসভায় বদলে দেবেন। 

   

Banner
Side banner

সারাদেশ বিভাগের আরো খবর

Small Banner
Side banner