হাজী আব্দুস সাত্তার মানব কল্যানে আব্দুস সাত্তার ফাউন্ডেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত করেন। আর এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি নিরলসভাবে জন কল্যান মুখী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। পৌরবাসীর হৃদয়ে তিনি স্হানও করে নিয়েছেন। তার জনপ্রিয়তা দেখে রাজনৈতিক দলের মেয়র প্রার্থীরা মনে করছেন আসন্ন হাজী আব্দুস সাত্তার যদি মেয়র প্রার্থী হন তবে নিজেদের সুনিশ্চিত পরাজয় অনিবার্য। তাই আজ অনেকেই তাকে আওয়ামী লীগ নেতা, বালু মহলের এককছত্র সম্রাট বলে আখ্যা ও দিচ্ছেন। তার নির্মিত ডকইয়ার্ড নিয়ে প্রশ্নও তুলছেন।তারা কি কখনো ভেবে দেখেছে।নিজের জেলায় ডকইয়ার্ড থাকলে সল্প মূল্যে জেলার নৌযান মালিকেরা তাদের নৌযান মেরামত করতে পারবেন। যদি তিনি ডকইয়ার্ড তৈরি না করতেন তবে নৌযান মালিকদেরকে হয় নারায়ণগঞ্জ ডকইয়ার্ড নয়তো খুলনা ডকইয়ার্ডে যেতে হতো নৌযান মেরামত করতে।
ভাঙা গড়া নিয়েই নদীর গতিপথ। যেখানে বালু উত্তোলন হয় না, সেখানে কি বাঁধ ভাঙবে না। এমন গ্যারান্টি কেউ কি দিতে পারবে? তিনি সরকারকে রাজস্ব দিয়ে বালু মহলের ইজারা নিয়েছেন। আজ যারা বলছেন বালু উত্তোলন করায় হুমকির মুখে শহর রক্ষাকারী বাঁধ। তারা কি প্রমাণ করতে পারবেন যে, হাজী আব্দুস সাত্তার বাঁধ ঘেঁষে বালু উত্তোলন করছেন? যারা আজ বাঁধ হুমকির মুখে বলে বেড়াচ্ছেন।জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে যখন বালু মহলের টেন্ডার আহ্বান করা হয়, তখন তাদের উচিত ছিলো বালু মহলের ইজারা বন্ধ করার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করা। তখন তো আপনারা বিন্দু মাত্র টু শব্দটিও করেননি।
প্রকৃত পক্ষে ব্যবসায়ীদের কোন দল হয় না। যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তখন তাঁরাই ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সুবিধা নিয়ে থাকেন নিজেদের স্বার্থে।
এখন হাজী আব্দুস সাত্তার আওয়ামী লীগ নেতা হয়ে গেলেন। তিনি তো বিএনপির আমলেই কমিশনার হয়েছিলেন। বিএনপির অনেক ভালো ভালো নেতাদেরও তো দেখা যায় তার সাথে। হাজী আব্দুস সাত্তারের নিকট থেকে টাকা নেয়নি, এমন নেতা পাওয়া কঠিন।
আওয়ামী লীগের শাসন আমলে অনেক বিএনপি নেতা,ব্যবসায়ী মামলা হামলা থেকে বাঁচতে তাল মিলিয়ে চলেছেন। আপনারা এতোটাই যদি আওয়ামী লীগ বিরোধী হন।তবে ৫ আগষ্টের পর সিরাজগঞ্জে আওয়ামী লীগারদের কারা সেল্টার দিয়েছে?
কানু জুয়েলার্সের মালিক সন্তোষ কানু আওয়ামী লীগের ১৭ বছর যে ক্ষমতার দাপট দেখিয়েছে। মিছিল মিটিংয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সে এখন বড় বিএনপি হয়ে গেছে। ৫ আগষ্টের পর পলাতক থাকা এই সন্তোষ কানু হটাৎ করে এসে দোকান খুললো আর বিএনপির লোকজন তাকে পাহাড়া দিচ্ছে। সেই দৃশ্যও সবাই দেখেছে।
এখন সিরাজগঞ্জে আওয়ামীলীগের কমিটি হয়,মিছিল মিটিং হচ্ছে,অনেকে প্রকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের নিয়ে কারো মাথা ব্যাথা নেই।
সব কথার শেষ কথা বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে যে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।আমরা একে অপরের বিরুদ্ধে যতই অপপ্রচার চালিয়ে যাই না কেন? এখন জনগন অনেক সচেতন। যার কর্মকান্ড ভালো, জনগণ যাকে যোগ্য প্রার্থী মনে করবেন। তাঁকেই ভোট দিয়ে মেয়র নির্বাচিত করবেন।

































আপনার মতামত লিখুন :