Swadesh Chitro
  • ঢাকা শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
banner

সিরাজগঞ্জ পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে পাহাড় সমান দূর্ণীতির অভিযোগ


FavIcon
মো: মুক্তাগীর কবির,অনলাইন প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: জুন ১০, ২০২৬, ০১:০৯ পিএম
সিরাজগঞ্জ পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে পাহাড় সমান দূর্ণীতির অভিযোগ
সিরাজগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম

বেশ কিছু দিন হলো পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর তা ছড়িয়ে পরে ফেসবুক সহ সোস্যাল মিডিয়ার  বিভিন্ন প্লাট ফরমে। আর এই নির্বাহী কর্মকর্তার একের পর এক দুর্নীতির তথ্য ফাঁস  হতে থাকে বিভিন্ন উপজেলা থেকে। অতীতে তিনি যে সমস্ত উপজেলার সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। 

সবচেয়ে কম সময় তিনি শাহজাদপুর পৌরসভায় মাত্র ৫ মাস কাজ করেন।কেননা তার সাথে তৎকালীন মেয়রের সঙ্গে তার বনিবনা হয়নি। কারণ মেয়র তাকে দূর্নীতি করার সুযোগ দিতেন না।

পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম  সবচেয়ে বেশি সময় কাজ করেন কাজীপুর পৌরসভায়। তিনি নিজে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামীলীগের সক্রিয় সদস্য হওয়ায়, প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিমের আস্হা ভাজন হয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর সেখানে কর্মরত ছিলেন।

আর এ সময় তিনি পৌরসভাকে নিজের মনে করে ইচ্ছে মত লুটপাট করেছেন।টিয়ার ও গরীবের ত্রানের চাল বিক্রি করে নিজের পকেট পূরণ করেন। উন্নয়ন কর্মকান্ডের নামে নিজের পছন্দের লোক দিয়ে কাজ করিয়ে হাতিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা। যা নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট পৌরসভার কর্মকর্তা ও কর্মচারীরারা। 

এখন তিনি কাজ করছেন।সিরাজগঞ্জ পৌরসভায়। তিনি সিরাজগঞ্জ পৌরসভায় যোগ দানের পর প্রথম প্রথম ভালোই সততার সঙ্গে কাজ করেন। ৫ আগষ্টের পর ইউনুস সরকারের আমলে তিনি ধরাকে সরা জ্ঞান বানিয়ে লুটপাটে জড়িয়ে পরেন। পৌরসভার সকল কাজের নিয়ন্ত্রণ একক ভাবে পরিচালনা করেন তিনি। 

উন্নয়নের নামে একের পর এক প্রকল্প সৃষ্টি করে তিনি কমিশন বানিজ্য শুরু করেন। 

পৌরসভার যানজট নিরসনের নামে প্রেসক্লাবের মোড় হতে আভিসিনা হসপিটাল পর্যন্ত এস এস পাইপ দিয়ে একাধিক রাস্তার মোড় স্হায়ী ভাবে বেরিগেড দেন। এতে যানজট কমানোর চেয়ে বরংচ বৃদ্ধি পায়। প্রেসক্লাব চৌরাস্তা থেকে বাহিরগোলা গুড়ের বাজারের মধ্যে দূর্ঘটনা বশত যদি কোন অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।তবে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি সরাসরি প্রেসক্লাবের মোড় হয়ে  সেখানে পৌঁছাতে পারবে না বেরিগেড এর কারণে। ফায়ার সার্ভিসের গাড়িগুলোকে ঘুরে যেতে যে সময় ব্যায় হবে। ততক্ষণে অগ্নিকান্ডের ক্ষয়-ক্ষতিও বেড়ে যাবে। 

তিনি নিজের পছন্দের লোক দিয়ে কাজটি করিয়াছেন বলেও স্হানীয় সূত্রে জানা যায়। 

অনেকের মতে তিনি পৌরসভার স্বঘোষিত মেয়র। 

কাজীপুর পৌরসভায় কর্মরত একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী নাম পরিচয় গোপন রাখার শর্তে জানায়, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম দীর্ঘ ১৬ বছর আওয়ামী লীগের দালালী করে,কাজীপুর পৌরসভাকে লুটপাটের স্বর্গ রাজ্যে বানিয়েছেন।

একইভাবে এখন তিনি সিরাজগঞ্জ পৌরসভাকেও লুটপাটের স্বর্গরাজ্য বানানোর চেষ্টায় লিপ্ত। 

যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তখন তিনি সেই দলের নেতাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলতে পারদর্শী। আওয়ামী লীগের আমলে তিনি প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ নাসিমের আস্হা ভাজন লোক ছিলেন। 

বর্তমানে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর এখন তিনি দলীয় লেজুড়বৃত্তিতে ব্যাস্ত। নির্দিষ্ট কিছু দলীয় লোকজনের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে কোটেশনের মাধ্যমে তাদের একের পর এক কাজ দিয়ে, একদিকে নিজেও যেমন লাভবান হচ্ছেন।তেমনি তাদেরকেও লাভবান হওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন। এতে করে ক্ষমতাশীন দলের নেতা কর্মীদের মধ্যে সৃষ্টি হচ্ছে বিরোধ। 

একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়, তিনি অটো ট্যাম্পু থেকে আদায় করা অবৈধ টোলের টাকার ভাগও পান। যেকারণে তিনি প্রেসক্লাব চৌরাস্তার মোড় থেকে অটো ও সিএনজি স্ট্যান্ড সরানোর কোন পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন মনে করেন না। অথচ সাধারণ জনগণ প্রতি দিনই দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন এই অটো ও সিএনজি স্ট্যান্ডের করণে। 

তিনি বেতন পান ৬১,০০০/ ( একষট্টি হাজার) টাকা। এতেও তার চলে না। যেকারণে তিনি তদবির বানিজ্যের জন্য মাসের একাধিক দিন ঢাকায় অবস্থান করেন। 

উন্নয়নের নামে তার মেঘা প্রকল্পের দূর্ণীতি নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে আগামীতে। সংঙ্গে থাকুন " দৈনিক স্বদেশ চিত্র" এর সাথে আর ভিজিট করুন www.swadeshchitro.com

 

Banner
Side banner

সারাদেশ বিভাগের আরো খবর

Small Banner
Side banner