Swadesh Chitro
  • ঢাকা সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩
banner

‘জুলাইয়ের অকুতোভয় কণ্ঠস্বর’ সালমানের স্টুডিওতে ছিনতাই-লুটপাট করেছে ‘বিএনপির সন্ত্রাসীরা’


FavIcon
অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬, ১২:৪২ পিএম
‘জুলাইয়ের অকুতোভয় কণ্ঠস্বর’ সালমানের স্টুডিওতে ছিনতাই-লুটপাট করেছে ‘বিএনপির সন্ত্রাসীরা’
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদির ও ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। তার দাবি, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই সালমানের স্টুডিওতে হামলা চালানো হয়েছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব অভিযোগ করেন সাদিক কায়েম।

পোস্টে তিনি লেখেন, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় ‘জুলাইয়ের অকুতোভয় কণ্ঠস্বর’ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ব্যাপক ভাঙচুর, ছিনতাই ও লুটপাট করেছে ‘বিএনপির সন্ত্রাসীরা’। তিনি ঘটনাটিকে সারাদেশে চাঁদাবাজি ও দখলদারির অভিযোগের একটি উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

সাদিক কায়েম আরও লেখেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর সরকারের প্রশ্রয়ে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ‘নব্য জমিদারদের’ উত্থান ঘটেছে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন জায়গায় চাঁদা দাবি করা হচ্ছে এবং চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, এভাবে দেশ চলতে পারে না। সরকারের উচিত নিজেদের দলের অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া। বাংলাদেশকে কারও জমিদারিতে পরিণত হতে দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন ডাকসু ভিপি।

এর আগে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর সালমান নিজেও চাঁদা দাবি ও হামলার অভিযোগ করেন।

অভিযোগ অনুযায়ী, হামলাকারীরা স্টুডিওর সিসি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিয়ে যায়। পাশাপাশি স্টুডিওর আসবাব ও অন্যান্য সরঞ্জাম ভাঙচুর করে তছনছ করা হয়। ঘটনার পর প্রকাশিত ভিডিওতেও স্টুডিওর বিভিন্ন সরঞ্জাম ও আসবাব ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেখা যায়।

তবে হামলায় বিএনপির কারা জড়িত—এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে হামলার সঙ্গে কারা জড়িত এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, তা নিশ্চিত হওয়ার বিষয়টি এখনো বাকি।

Banner
Side banner
Side banner