সিলেটে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের পার্কিংয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটি অ্যাম্বুলেন্সে মধ্যরাতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এছাড়া কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডে একটি বাসেও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। দুই স্থানে অগ্নিসংযোগে কেউ হতাহত না হলেও অ্যাম্বুলেন্সটি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাত আড়াইটার দিকে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের ভেতরে পার্কিং এলাকায় থাকা অ্যাম্বুলেন্সটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে হাসপাতালজুড়ে আতঙ্ক দেখা দেয়। ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও অ্যাম্বুলেন্সটি ছাই হয়ে যায়।
হাসপাতাল সূত্র ও সিসিটিভি ফুটেজ থেকে জানা যায়, দুটি মোটরসাইকেলে পাঁচজন তরুণ হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে এসে থামে। তাদের মধ্যে দুজন হাতে দাহ্য পদার্থ ভর্তি বোতল নিয়ে পরিকল্পিতভাবে অ্যাম্বুলেন্সটির কাছে যায় এবং তাতে আগুন ধরিয়ে দ্রুত মোটরসাইকেলে ফিরে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে থাকা নৈশ পাহারাদারেরা ধোয়া দেখে বিষয়টি বুঝতে পারেন এবং চিকিৎসকদের জানান।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মিজানুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘রাত আড়াইটার দিকে দুর্বৃত্তরা হাসপাতালের ভেতর ঢুকে অ্যাম্বুলেন্সে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়। ফায়ার সার্ভিস দ্রুত এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। হতাহতের ঘটনা হয়নি, তবে অ্যাম্বুলেন্সটি পুরোপুরি পুড়ে গেছে।
ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের সদস্য জুনাইদ জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে রাত ৩টা ১৫ মিনিটে একটি ইউনিট হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেয় এবং ৩টা ৪৮ মিনিটে ফিরে আসে। ঠিক এর কিছুক্ষণ পর রাত ৩টা ৫০ মিনিটে কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডে একটি বাসে আগুন লাগার খবর আসে। সেখানে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে ফায়ার সার্ভিসের গাড়িটি রাত ৪টা ৫০ মিনিটে স্টেশনে ফিরে আসে।
অগ্নিসংযোগের উদ্দেশ্য, পরিকল্পনা বা কারা এতে জড়িত থাকতে পারে এসব বিষয়ে জানতে সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরী, অতিরিক্ত উপকমিশনার (মিডিয়া) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।







































আপনার মতামত লিখুন :