Swadesh Chitro
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
banner

ডিমলায় আনসার ক্যাম্পে হামলা করে গুলি ছিনতাই, ভাঙচুর


FavIcon
অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১, ২০২৬, ০৩:২৫ পিএম
ডিমলায় আনসার ক্যাম্পে হামলা করে গুলি ছিনতাই, ভাঙচুর
হাজারের বেশি মানুষ সংঘবদ্ধ হয়ে আনসার ক্যাম্পে হামলা চালায়।

নীলফামারীর ডিমলায় বুড়ি তিস্তা নদী পুনঃখনন প্রকল্পকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনায় আনসার ক্যাম্পে হামলা, ভাঙচুর ও লুটতরাজের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছিনতাই করা হয়। সহিংসতায় সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সরকারি ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় দুই কোটি টাকা বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বুড়ি তিস্তা নদী সংলগ্ন আনসার ক্যাম্প ও খনন প্রকল্প এলাকায় এই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নদী খনন কাজের প্রস্তুতি নিলে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে সরকারি ছুটির দিনে খনন কাজের প্রস্তুতি নেওয়ায় আপত্তি ওঠে। পরিস্থিতি বিবেচনায় পাউবো সাময়িকভাবে কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিলেও পরে তা সংঘবদ্ধ হামলায় রূপ নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যার দিকে আলীম নামে এক ব্যক্তি মাইকিং করে লোকজন জড়ো করেন। অল্প সময়ের মধ্যে হাজারের বেশি মানুষ সংঘবদ্ধ হয়ে আনসার ক্যাম্পে হামলা চালায়।

আনসার সদস্য এনামুল হক জানান, হামলাকারীরা ক্যাম্পের থাকার কক্ষ, অফিস ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। পাশাপাশি ক্যাম্পে সংরক্ষিত রেশন সামগ্রী, আনসার সদস্যদের পোশাক ও ব্যক্তিগত মালামাল লুট করে নেয়। এ সময় আনসার সদস্যদের ব্যবহৃত ১০ রাউন্ড শর্টগানের গুলিও ছিনতাই করা হয়।

পুলিশ ও পাউবো সূত্র জানায়, বুড়ি তিস্তা নদী খনন প্রকল্পে ব্যবহৃত সাতটি এক্সকাভেটর ভাঙচুর করে অচল করে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার ছবি ও ভিডিও সংগ্রহ করতে গিয়ে কয়েকজন হামলার শিকার হন। আহতদের মধ্যে আনসার সদস্য, সাংবাদিক, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও স্থানীয় বাসিন্দারা রয়েছেন।

নীলফামারী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আতিকুর রহমান জানান, হামলা ও ভাঙচুরে প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এটি একটি গুরুতর অপরাধ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা আনসার ও ভিডিপি কমান্ড্যান্ট মাজহারুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, আনসার সদস্যদের গুলি, রেশন ও পোশাক ছিনতাই বাহিনীর নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।

নীলফামারীর পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। ছিনতাইকৃত গুলি উদ্ধারে অভিযান চলছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

Banner
Side banner

সারাদেশ বিভাগের আরো খবর

Small Banner
Side banner