জামালপুর শহরের রাণীগঞ্জ যৌনপল্লীতে অভিযান চালিয়ে ৪ কেজি গাঁজাসহ সুলতানা আক্তার নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের পর বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
জামালপুর সদর থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জামালপুর পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিনের নির্দেশনায় এবং সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাজমুস সাকিবের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটের দিকে শহরের রাণীগঞ্জ যৌনপল্লীর ১ নম্বর বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশের একটি দল। ১ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (আইসি) কামাল পাশার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে এসআই সেলিম হোসেন ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৪ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন। এ সময় সুলতানা আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে পুলিশ ফাঁড়িতে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় এসআই সেলিম হোসেন বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। গ্রেপ্তার সুলতানা ময়মনসিংহের পাগলা থানার গোলাঘাট গ্রামের সুলতানের মেয়ে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে ১ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ কামাল পাশা বলেন, “পুলিশ সবসময় মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান করছে। মাদকের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি মাদকসংক্রান্ত তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”
জামালপুর সদর থানার ওসি মো. নাজমুস সাকিব বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে। সদর থানা এলাকার প্রতিটি পুলিশ ফাঁড়ি ও তদন্তকেন্দ্রকে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
জামালপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ইয়াহিয়া আল মামুন বলেন, “মাদকের ভয়াবহ ছোবল থেকে কিশোর ও তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করতে জেলা পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিনের নেতৃত্বে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। মাদকের সঙ্গে জড়িত যে-ই হোক, কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। জেলার প্রতিটি থানায় মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।” তিনি আরও বলেন, “তরুণদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ও সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে তারা মাদকের প্রলোভনে না পড়ে।”
মাসুদুর রহমান, জামালপুর প্রতিনিধি








































আপনার মতামত লিখুন :