ইরানের সঙ্গে চলা সংঘাতের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের(সেন্টকম) কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার মধ্যপ্রাচ্যে সফর করেছেন। ১০ দিনের সফরে মার্কিন কমান্ডার’ ছয়টি দেশ এবং আরব সাগরে মোতায়েনকৃত দেশটির নৌবাহিনীর একটি বিমানবাহী রণতরী পরিদর্শন করেছেন।
১৫ আগস্ট কুপার তার উপসাগরীয় অঞ্চলে সফর করেছেন। সফরের সময় তিনি বাহরাইন, ইরাক, ইসরায়েল, জর্ডান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঊর্ধ্বতন বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এছাড়া তিনি ওই অঞ্চলে মোতায়েনকৃত মার্কিন সেনাদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। বর্তমানে বিভিন্ন মিশনে অংশ নিতে ৫০ হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা সদস্য মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত রয়েছেন।
সেনা ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে কুপারের সাক্ষাৎঃ
সফরকালে কুপার কৃতিত্বপূর্ণ অবদান রাখা সামরিক সদস্যদের ও পুনরায় চুক্তিবদ্ধ হওয়া সেনাদের স্বীকৃতি জানান এবং ‘কম্বাইন্ড জয়েন্ট টাস্ক ফোর্স-অপারেশন ইনহেরেন্ট রিজলভ’-এর কমান্ড বা নেতৃত্ব হস্তান্তর প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করেন।
গত ১১ আগস্ট জর্ডানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মেজর জেনারেল কেভিন ল্যাম্বার্ট টাস্ক ফোর্সের কমান্ড রিয়ার অ্যাডমিরাল লিয়াম হুলিনের কাছে হস্তান্তর করেন।
ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন পরিদর্শনঃ
কুপার আরব সাগরে অবস্থানরত ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ যুদ্ধজাহাজটিও পরিদর্শন করেন এবং সেখানে দায়িত্বরত নাবিক ও মেরিন সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। চলতি বছরে এটি ছিল ওই যুদ্ধজাহাজে তার দ্বিতীয় সফর। রণতরীটির অভ্যন্তরীণ পরিবেশ ও নাবিকদের পরিস্থিতি নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠার মধ্যেই শনিবার (১৫ আগস্ট) তিনি এটি পরিদর্শন করেন।
এর আগে তিনি ফেব্রুয়ারি মাসে শান্তি মিশনের জন্য নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে এটি পরিদর্শন করেছিলেন।
সর্বশেষ এই সফরে কুপার নাবিক ও কর্মীদের তাদের সেবার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং বেশ কয়েকজন কনিষ্ঠ সদস্যকে পুরস্কারের মাধ্যমে স্বীকৃতি প্রদান করেন। কুপার বলেন, লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ হলো উচ্চ-অর্জনকারী আমেরিকানদের একটি শক্তিশালী দল, যারা তাদের অর্জিত সবকিছুর জন্য অত্যন্ত ও যথার্থ গর্ববোধ করে।
তিনি এই যুদ্ধজাহাজের মোতায়েন কার্যক্রমকে আধুনিক যুগের অন্যতম নিবিড় ও তাৎপর্যপূর্ণ সামরিক অভিযান হিসেবে অভিহিত করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে আব্রাহাম লিংকনের মোতায়েনঃ
সান দিয়েগো-ভিত্তিক ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ নভেম্বরে মোতায়েনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে এবং জানুয়ারিতে মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছায়। সেন্টকম জানিয়েছে, এই ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপটি ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’, আঞ্চলিক নিরাপত্তা মিশন এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান নৌ-অবরোধের সমর্থনে হাজার হাজার যুদ্ধবিমান উড্ডয়ন ও অভিযান পরিচালনা করেছে।

























Watermarked-20260811161327.jpg)













আপনার মতামত লিখুন :