Swadesh Chitro
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
banner
পর্ব-(০১)

স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে পৌরসচিব রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে


FavIcon
স্বদেশ চিত্র অনলাইন ডেস্ক:
প্রকাশিত: মে ২৭, ২০২৬, ০৩:১৯ পিএম
স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে পৌরসচিব রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে
স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে পৌরসচিব রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে

সম্প্রতি সিরাজগঞ্জ পৌরসভার সচিব রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। পৌরসভার কেনা- কাটা, টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ সহ সকল শাখায় হস্তক্ষেপ করে রাতারাতি আলোচনায় এসেছেন এই কর্মকর্তা। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পৌরসভার  ইন্জিনিয়ারিং শাখায় হস্তক্ষেপ করে টাকার বিনিময়ে কোটেশনের মাধ্যমে পছন্দের ঠিকাদারকে কাজ পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক কর্মচারী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পৌরসভার সকল কেনা- কাটার দায়িত্ব বাজার শাখার উপর ন্যাস্ত।অথচ তিনি নিজে সরাসরি কেনা- কাটা করছেন। ২ টাকার মাল ৩ টাকায় কিনলেও, কেউ তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পাচ্ছেন না। নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দিয়ে। তিনি রাজনৈতিক নেতাদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলছেন। 

দীর্ঘদিন পৌরসভায় কর্মরত এক কর্মচারী বলেন, ইতিপূর্বে, অনেক সচিব এখানে এসেছে, তারা কেউ কোন শাখায় হস্তক্ষেপ করেননি।প্রত্যেকটি শাখা প্রধান নিজ দায়িত্ব স্বাধীন ভাবে পালন করেছেন। অথচ এই সচিব দায়িত্ব নেয়ার পর কেউ স্বাধীন ভাবে তাদের কাজ করতে পারছেন না। নিজের স্বার্থ হাসিল করার জন্য তিনি প্রতিটি শাখায় হস্তক্ষেপ করছেন। 

সম্প্রতি নিন্ম মানের মশানিধক ওষুধ কিনে আলোচনায় আসেন তিনি।সাধারণত  মশকনিধন ওষুধের গুনগত মান যাচাই-বাছাইয়ের দায়িত্বে থাকেন, পৌর সিভিল সার্জন। তার মতামতের ভিত্তিতে  কেনা হয় ওষুধ । অথচ সচিব রফিকুল ইসলাম,  পৌর সিভিল সার্জনকে বৃদ্ধাআঙ্গুল দেখিয়ে, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নিন্মমানের ওষুধ কিনে নিজের পকেট পূরণ করেন। পরবর্তীতে এনিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলে, তিনি ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

সরকারি কাজে ব্যবহারীত গাড়ি তিনি নিজের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেন, বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি ক্ষমতাশীন দলের নেতাদের লেজুড়বৃত্তি করতে ভালোবাসেন। নিত্য নতুন নতুন প্রকল্প সৃষ্টি করে কমিশনের বিনিময়ে কাজ দেয়া তার একমাত্র কাজ। স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার আমলে যেমন নতুন নতুন প্রকল্প বানিয়ে লুটপাটের মহা উৎসবে মেতে ছিল সরকারি আমলা ও কতিপয় নেতারা। ঠিক একই পদ্ধতিতে হাঁটছেন পৌরসচিব রফিকুল ইসলাম। তার নিজ নামে ও স্ত্রী সন্তানের নামে  রয়েছে একাধিক ব্যাংক এ্যাকাউন্ট।সিরাজগঞ্জ  পৌরসভায় যোগ দানের পর থেকে লুটপাটের মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা। নির্বাচিত মেয়র না থাকায় তিনিই এখন স্বঘোষিত মেয়র। পৌরসভার সকল কাজ হয় তার ইশারায়।   তার অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে পর্ব-০২ এ চোখ রাখুন"দৈনিক স্বদেশ চিত্র " এর পাতায়।

www.swadeshchitro.com

 

Banner
Side banner

জাতীয় বিভাগের আরো খবর

Small Banner
Side banner