Swadesh Chitro
  • ঢাকা রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
banner

সামরিক নীতি ‘প্রতিরক্ষামূলক’ থেকে ‘আক্রমণাত্মক’ করছে ইরান


FavIcon
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
প্রকাশিত: আগস্ট ২২, ২০২৬, ০৩:০৮ পিএম
সামরিক নীতি ‘প্রতিরক্ষামূলক’ থেকে ‘আক্রমণাত্মক’ করছে ইরান
সামরিক নীতি ‘প্রতিরক্ষামূলক’ থেকে ‘আক্রমণাত্মক’ করছে ইরান

সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের সামরিক কৌশল ‘প্রতিরক্ষামূলক’ অবস্থান থেকে বদলে ‘আক্রমণাত্মক’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী। শনিবার (২২ আগস্ট) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরানি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া জানান, দেশের ১২ দিন ও ৪০ দিনের যুদ্ধ চলাকালে ধীরে ধীরে তাদের সামরিক কৌশলে এই পরিবর্তন এসেছে। তিনি জানান, যেকোনো আক্রমণের বিরুদ্ধে দ্রুত ও ব্যাপক পাল্টা জবাব দেওয়া এবং আগাম প্রতিরোধমূলক অভিযান পরিচালনা করাই এখন এই নতুন কৌশলের মূল লক্ষ্য।

ভূখণ্ডে মার্কিন স্থল হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করে আকরামিনিয়া বলেন, মার্কিন সেনাদের হত্যা বা বন্দী করার জন্য বিশেষ পুরস্কারের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য বা বৈধ শিকারি অস্ত্রের মালিক যেকোনো নাগরিককে মার্কিন সেনা হত্যা বা বন্দী করার জন্য ৫ বিলিয়ন তোমান (প্রায় ২৬ হাজার ডলার) দেওয়া হবে। কোনো নারী এই কাজ সম্পন্ন করলে তাকে দ্বিগুণ অর্থাৎ ১০ বিলিয়ন তোমান (প্রায় ৫৩ হাজার ডলার) পুরস্কৃত করা হবে।

তিনি আরও জানান, হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রটি মূল মূল্যের দ্বিগুণ দামে কিনে নেওয়া হবে এবং মূল মালিকের নামে সেটি একটি সামরিক জাদুঘরে সংরক্ষণ করে তাকে নতুন একটি বিকল্প অস্ত্র দেওয়া হবে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব নাটকীয়ভাবে কমেছে দাবি করে আকরামিনিয়া উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটনকে বাদ দিয়ে সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তান একটি স্বতন্ত্র প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ ছাড়া গঠিত এটিই অঞ্চলের প্রথম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যা আমেরিকার রাজনৈতিক পতনের স্পষ্ট প্রমাণ দেয়।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

Banner
Side banner
Side banner