Swadesh Chitro
  • ঢাকা সোমবার, ১১ মে, ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
banner

ইরান ইস্যুতে শি’কে চাপ দিতে চীন যাচ্ছেন ট্রাম্প


FavIcon
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
প্রকাশিত: মে ১১, ২০২৬, ১২:০৮ পিএম
ইরান ইস্যুতে শি’কে চাপ দিতে চীন যাচ্ছেন ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় বেইজিং পৌঁছাবেন বলে নিশ্চিত করেছে হোয়াইট হাউস। তিন দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ইরান যুদ্ধসহ বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় বসবেন।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সফরে ইরান ইস্যুতে চীনা প্রেসিডেন্টকে বিশেষ ‘চাপ দেবেন’ ট্রাম্প। বিশেষ করে ইরানের তেল বিক্রি এবং তেহরানের সামরিক ও বেসামরিক কাজে ব্যবহারযোগ্য পণ্য ক্রয়ের বিষয়ে বেইজিংয়ের ওপর কঠোর অবস্থান নিতে পারে ওয়াশিংটন।

হোয়াইট হাউসের প্রিন্সিপাল ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি অ্যানা কেলি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সকালে দুই নেতার উপস্থিতিতে একটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে এবং শুক্রবার এই সফর শেষ হবে। 

কেলি এই সফরকে ‘অত্যন্ত প্রতীকী তাৎপর্যপূর্ণ’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এটি চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ভারসাম্য রক্ষা এবং মার্কিন অর্থনৈতিক স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে পারস্পরিক স্বার্থকে প্রাধান্য দেবে। উল্লেখ্য, এই সফরটি বছরের শুরুর দিকে হওয়ার কথা থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে গত মার্চ মাসে তা স্থগিত করা হয়েছিল।

মার্কিন প্রশাসনের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্প এই সফরে চীন কর্তৃক ইরানকে ‘অর্থায়নের’ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলবেন। সম্প্রতি মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট অভিযোগ করেছেন, ইরান সন্ত্রাসবাদের বড় পৃষ্ঠপোষক হওয়া সত্ত্বেও চীন তাদের উৎপাদিত জ্বালানির ৯০ শতাংশ ক্রয় করছে, যা প্রকৃতপক্ষে ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে শক্তিশালী করছে। 

অন্যদিকে, ইরান ও ইসরায়েল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তেহরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্বব্যাপী জ্বালানি পরিবহনে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে বেইজিংয়ের ভূমিকা নিয়ে কথা বলবেন ট্রাম্প।

ইরান ইস্যুর পাশাপাশি এই আলোচনায় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে চীনের অবস্থান, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং মার্কিন প্রযুক্তি খাতের জন্য অপরিহার্য ‘রেয়ার আর্থ মিনারেলস’ বা বিরল মৃত্তিকা খনিজ নিয়েও আলোচনা হতে পারে। 

মার্কিন প্রতিনিধিদলে বিমান প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বোয়িং এবং কয়েকটি কৃষিভিত্তিক কোম্পানির কর্মকর্তারাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। তবে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার প্রধান বিরোধপূর্ণ বিষয় তাইওয়ান ইস্যুতে মার্কিন অবস্থানে কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে। চীন এই সফরকে যুদ্ধের অবসান এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফেরানোর সুযোগ হিসেবে দেখলেও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে।  সূত্র: আল জাজিরা

Banner
Side banner
Side banner