Swadesh Chitro
  • ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
banner

ফেইসবুক লাইভে গিয়ে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ


FavIcon
শরীয়তপুর,প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: নভেম্বর ২৬, ২০২৩, ০৯:১৬ পিএম
ফেইসবুক লাইভে গিয়ে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ
ফেইসবুক লাইভে গিয়ে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ডাদেশ

পরকীয়ার অভিযোগে ঘরের দড়জা বন্ধ করে ফেসবুক লাইভে এসে গান গেয়ে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী নজরুল ইসলাম মাদবরকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে শরীয়তপুরের জেলা ও দায়রা জজ।

( দৈনিক আলোকিত বাংলা Apps এখন গুগল-প্লে স্টোরে )

রোববার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে শরীয়তপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ মফিজুর রহমান এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত নজরুল ইসলাম মাদবর (৪৫) শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া গ্রামের মরহুম হোসেন মাদবরের ছেলে। আর নিহত স্ত্রী ইসলামপুর ইউনিয়নের গঙ্গাসকাঠি প্রামের মরহুম আবদুল আজিজ মাদবরের মেয়ে আমেনা বেগম।

জনাকীর্ণ আদালতে আসামির উপস্থিতিতে এ রায় প্রদান করেন বলে জানান পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মীর্জা হযরত আলী।

আদালত সূত্র জানায়, আমেনার বিয়ে হয় পাশ্ববর্তী গ্রাম দক্ষিণপাড়ার নজরুল ইসলাম মাদবরের সাথে। এক ছেলে সন্তান ও স্ত্রীকে রেখে জীবিকার তাগিদে সৌদি আরব যান নজরুল ইসলাম মাদবর। সৌদি আরব থেকে ফেরার পর সাংসারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্ত্রী আমেনার সাথে দ্বন্ধ শুরু হয় স্বামী নজরুল ইসলাম মাদবরের সাথে। দেশের ফেরার ছয় মাস পর ২০২১ সালের ১৬ ফেব্রুদয়ারি (মঙ্গলবার) সকাল ১১টার দিকে পরকীয়া ও ফজরের নামাজের সময় ডেকে না দেয়ার অভিযোগ তুলে ঘরের দড়জা বন্ধ করে ফেসবুক লাইভে এসে গান গেয়ে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে স্ত্রী আমেনা বেগমকে হত্যা করেন স্বামী নজরুল ইসলাম মাদবর।

এ ঘটনার পর আমেনা বেগমের ভাই সুলতান মাদবর মামলা করেন। দীর্ঘ ১৮ মাস ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক নজরুল ইসলাম মাদবরকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

শরীয়তপুরের পাবলিক প্রসিকিউটর মীর্জা হযরত আলী বলেন, নজরুল ইসলাম মাদবর তার স্ত্রী আমেনা বেগমকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছেন। আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছেন। নজরুল ইসলাম শুধু স্ত্রীকে হত্যা করেই ক্ষ্যান্ত হয়নি, ফেইসবুক লাইভে হত্যার রক্তাক্ত দৃশ্য প্রচার করার পাশাপাশি আমেনার বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন। মামলার ১২ জন স্বাক্ষীদের সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করছে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী এনামুল হক এনাম বলেন, আমরা এই রায়ে ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছি। ন্যায় বিচার পেতে উচ্চ আদালতে আপিল করব।
 

Banner
Side banner

সারাদেশ বিভাগের আরো খবর

Small Banner
Side banner