Swadesh Chitro
  • ঢাকা শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
banner

নোয়াখালীতে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৭ ডাকাত গ্রেফতার


FavIcon
নোয়াখালী প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: জুলাই ৫, ২০২৪, ০৮:৩৩ পিএম
নোয়াখালীতে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৭ ডাকাত গ্রেফতার
নোয়াখালীতে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৭ ডাকাত গ্রেফতার

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে লুণ্ঠিত মালামালসহ ৭ ডাকাত ও তাদের সহযোগী এক অসাধু জুয়েলারি ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি এলজি, একটি পাইপগান, দুটি কিরিচ, তিনটি ছোরা, একটি গ্রিল কাটার, একটি শাবল এবং ডাকাতির সময় লুণ্ঠিত চার ভরি ১১ আনা স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার (৫ জুলাই) বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে বৃস্পতিবার দিবাগত রাতে উপজেলার মীরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের লালপুর এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

গ্রেফতাররা হলেন সুধারাম থানার আন্ডারচর ইউনিয়নের ডাকাত সর্দার মো: কামাল (৪৩), লক্ষীপুরের রামগতি থানার সবুজ গ্রামের মো: শামীম (২২), রামগতি থানার সুজন গ্রামের মো: রায়হান (২৮), ভোলা জেলার ফুলকেইচ্যা গ্রামের মো: মিরাজ (২২), লক্ষীপুরের কমলনগর থানার নবীগঞ্জ বাজার এলাকার মো: শরীফ (২৭), লক্ষীপুর সদর উপজেলার চর মনসা গ্রামের মো: হেলাল উদ্দিন (২১), লক্ষীপুরের কমলনগর থানার ইসলামগঞ্জ এলাকার মো: সালাউদ্দিন সবুজ (২৬) ও একই থানার চরজগবন্ধু গ্রামের শ্রাবণ স্বর্ণ শিল্পালয়ের স্বত্তাধিকারী মো: হাসান ওরেফ রিপন (৩০)।

পুলিশ জানায়, বেগমগঞ্জ উপজেলায় কিছু ডাকাতির ঘটনায় ডাকাত সর্দার কামালের নাম উঠে আসে। পরে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত করে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ডাকাত কামাল ও তার সহযোগী শামীম, রায়হান, মিরাজ, শরীফ, হেলাল উদ্দিন, সালা উদ্দিন ও হাসানকে গ্রেফতার করে। ডাকাত কামালের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যা, ডাকাতি ও লুণ্ঠনসহ ১৬টি মামলা আছে।

পুলিশ আরো জানায়, গ্রেফতার ডাকাত রায়হান চৌমুহনী এলাকায় অটোরিকশা চালাত। অটোরিকশা চালানোর পাশাপাশি সে বিভিন্ন এলাকার বাড়িঘর রেকি করে সেগুলোর বিশদ তথ্য সংগ্রহ করে দলনেতা কামালের নিকট দেয়। রায়হানের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে টার্গেটকৃত বাড়িতে ডাকাত কামালের দল ডাকাতি করে। ডাকাতিতে অটোরিকশাচালক রায়হান সরাসরি অংশগ্রহণ করত। ডাকাতির স্বর্ণ তারা লক্ষ্ণীপুরের কমলনগর থানার রিপন স্বর্ণকারের কাছে বিক্রয় করে। পরবর্তীতে ডাকাত কামালের ভাষ্যমতে মালামাল কেনাবেচার সাথে জড়িত রিপন স্বর্ণকারকে গ্রেফতার করে। এছাড়া ডাকাতির সময় লুণ্ঠিত চার ভরি ১১ আনা স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে মামলা নেয়া হয়েছে। শুক্রবার ওই মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে বিচারিক আদালতে সোপর্দ করা হয়।

Banner
Side banner

সারাদেশ বিভাগের আরো খবর

Small Banner
Side banner