Swadesh Chitro
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
banner

আসামি ধরতে গিয়ে মারধরের শিকার এসআই


FavIcon
রাজবাড়ী,প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: জুন ২৬, ২০২১, ০৮:৪২ পিএম
আসামি ধরতে গিয়ে মারধরের শিকার এসআই
আসামি ধরতে গিয়ে মারধরের শিকার এসআই

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে আসামি ধরতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছেন এসআই। শনিবার সকালে কালুখালী থানার এসআই আশিকুর রহমান এ মারধরের শিকার হন। এ ঘটনায় পুলিশ কালুখালী উপজেলার বেতবাড়ীয়া গ্রামের আইনুদ্দিন মোল্যার ছেলে রিপন মোল্যাকে আটক করেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোনাপুর বাজার বালিকান্দি থানার আওতায় হলেও কালুখালী থানা পুলিশ এই বাজারে এসে প্রভাব খাটায়। একপর্যায়ে শনিবার সকাল কালুখালী থানার এসআই আশিকুর রহমান আসামি ধরতে এলে স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে তাকে মারধর করেন। পরে আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কালুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।স্থানীয় সোনাপুর বাজার ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বললে তারা বলেন, সোনাপুর বাজার বালিয়াকান্দি থানার মধ্যে হলেও পার্শ্ববর্তী কালুখালী থানা পুলিশ প্রতিনিয়ত সোনাপুর বাজারে প্রভাব বিস্তার করে। বিষয়টি বিগত আইন-শৃঙ্খলা সভায় অবহিত করা হয়। তারপরও কোনো পদক্ষেপ হয়নি।কালুখালী উপজেলার মাজবাড়ী ইউনিয়নের বেতবাড়ীয়া গ্রামের সোহরাব মোল্যার ছেলে সবুজ মোল্যা বলেন, তিনি উপজেলার সোনাপুর বাজারে ব্যাটারি চালিত অটোবাইকের স্টাটার হিসেবে কাজ করেন। শনিবার সাড়ে ১১টার দিকে আমি দোকানে বসে ছিলাম। এ সময় সাদা পোশাকে দু’জন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে এসে আমার নাম জিজ্ঞেস করে। পরে তারা আমার শরীর তল্লাশি করে। একপর্যায়ে তারা আমার হাতে হ্যান্ডকাপ লাগায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে ওয়ারেন্ট দেখাতে বললে তারা তা দেখাতে পারেননি। তার পরে তারা আমার হাতের হ্যান্ডকাপ খুলে দেয় এবং আমাকে জোর করে মোটরসাইকেলে উঠানোর চেষ্টা করেন। পরে স্থানীয়দের সাথে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সেখানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।নবাবপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো: আবুল হাসান আলী বলেন, সোনাপুর বাজারটি আমার ইউনিয়নের মধ্যে। কিন্তু দীর্ঘ দিন অটোবাইকের স্টাটারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছে। প্রথমে কালুখালী উপজেলার মাজবাড়ীর ফরিদ স্টাটার ছিলেন। তাকে বাদ দিয়ে মাজবাড়ীর বিল্লাল হোসেনকে দায়িত্ব দেয়। তিনি ইয়াবাসহ গ্রেফতার হওয়ার পর মাজবাড়ীর টুটুলকে দায়িত্ব দেয়। লকডাউনের কারণে টুটুল দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে চলে গেলে বেতবাড়ীয়ার সবুজ মোল্যাকে দায়িত্ব দেয়া হয়। সবুজ দায়িত্ব পালন করার সময় মাজবাড়ীর হাফিজকে দায়িত্ব দেয়া হয়। এ নিয়ে সবুজ ও হাফিজ গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। শনিবার সাড়ে ১১টার দিকে কালুখালী থানার এসআই আশিকুর রহমান এসে সবুজের হাতে হ্যান্ডকাপ দেয় এবং ওয়ারেন্ট আছে বলে প্রকাশ করে। কিন্তু ওয়ারেন্ট দেখাতে না পারায় স্থানীয় লোকজনের সাথে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।এ ব্যাপারে বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তারিকুজ্জামান বলেন, ‘কালুখালী থানার এসআই আশিকুর রহমান বালিয়াকান্দি উপজেলার সোনাপুর বাজারে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতারে এলে মারধরের শিকার হয়।সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কেল) সুমন কুমার সাহা বলেন, সোনাপুর বাজারে আসামি ধরতে এসে এসআই আশিকুর রহমান আহত হয়েছেন। একজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত চলছে।

 

Banner
Side banner
Side banner