Swadesh Chitro
  • ঢাকা মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
banner

গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণ ও ভিডিও, গ্রেফতার ৩


FavIcon
পিরোজপুর,প্রতিবেদক:
প্রকাশিত: অক্টোবর ২০, ২০২২, ১০:৪৪ পিএম
গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণ ও ভিডিও, গ্রেফতার ৩
গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণ ও ভিডিও, গ্রেফতার ৩

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এক গৃহবধূকে (২৪) পালাক্রমে ধর্ষণ এবং ধর্ষণের ভিডিওচিত্র মোবাইলে ধারণ করার ঘটনায় তিনজন গ্রেফতার হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে ভুক্তভোগী ওই নারী সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরো চারজনকে আসামি করে পর্নোগ্রাফী নিয়ন্ত্রন আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এ মামলা করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন উপজেলার বকসীর ঘটিচোরা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে রবিউল ইসলাম (১৯), উত্তর মিঠাখালী গ্রামের সোহরাব ফরাজীর ছেলে ইলিয়াস (২৭), উত্তর কালিকা বাড়ির গ্রামের জাকির হোসেন তালুকদারের ছেলে রাজু (১৮)।

থানা সূত্রে জানা যায়, সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী পৌর শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বহেরাতলার একটি ভাড়া বাসায় তার পাঁচ বছরের শিশু মেয়ে নিয়ে বসবাস করতেন। স্বামী প্রবাসে থাকায় তার দূর সম্পর্কের আত্মীয় উপজেলার বকসীর ঘটিচোরা গ্রামের নজরুল মাস্টারের ছেলে রবিউল ইসলাম (১৯) প্রায়ই তাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ওই গৃহবধূকে দেখে নেয়ার হুমকিও দেন। ঘটনার দিন ১৮ অক্টোবর বিকেলে ওই গৃহবধূ তার এবং বোনের দু’শিশু মেয়েকে নিয়ে শহরের কে এম লতীফ সুপার মার্কেটের গ্রাফিক্স পয়েন্টে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ শেষে অটোযোগে বাসার উদ্দেশে রওনা হন। অটোচালক গৃহবধূর বহেরাতলার বাসার কাছে আসামাত্র গন্তব্য পৌঁছে না দিয়ে রবিউলের পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী পল্লী বিদ্যুতের সামনের সড়ক দিয়ে গাড়িটি নিয়ে যান। এ সময় রবিউলসহ অন্য আসামিরা অন্য আরেটি অটোরিকশা দিয়ে এসে প্রবাসীর স্ত্রী এবং দু’শিশুকে হাত-পা চেপে ধরে মঠবাড়িয়া-পিরোজপুর সড়কের পাশে উত্তর মিঠাখালী গ্রামের ব্যাক অফিস-সংলগ্ন মামুনের বাসার পেছনের নিয়ে যান। মামুনের ভাড়াটিয়া ইলিয়াসের রুমে নিয়ে গিয়ে আসামি রবিউল জামা কাপড় খুলে ধর্ষণ করেন। পরে পালাক্রমে আসামি মোতালেব ওরফে ইব্রাহীম ও বাবু গৃহবধূকে ধর্ষণসহ পাশবিক নির্যাতন চালান। এ সময় মোতালেবের ব্যবহিত মোবাইলে ধর্ষনের দৃশ্য ভিডিও করেন। দুই শিশু কান্নাকাটি করলে ভাড়াটিয়া ইলিয়াস তার ঘরে থাকা সাউন্ডবক্সে উচ্চস্বরে গান বাজাতে থাকেন। ফলে স্থানীয়রা তাদের চিৎকারের শব্দ শুনতে পাননি। এরপর আসামিরা সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ওই ঘরে গৃহবধূকে ফেলে রেখে চলে যান। পরে নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধূ ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করে।

মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মো: নূরুল ইসলাম বাদল মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ মামলার এজাহার নামীয় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

 

Banner
Side banner
Side banner