সিরাজগঞ্জ শহরের বেসরকারি আভিসিনা হসপিটালের সহকারি এক্সরে অপারেটর মো. হাছান আলীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। মাত্র ৭ হাজার টাকা বেতনের চাকরি করে ১০/১২ বছরে কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগে প্রকাশ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ফয়সাল করিম নামে এক ব্যক্তি দুর্নীতি দমন কমিশন পাবনা সমন্বিত কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের পশ্চিম মোহনপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল মজিদের ছেলে মো. হাছান আলী ১৭শ টাকা বেতনে চাকরি শুরু করেন। বর্তমানে তার বেতন দাড়িয়েছে ৭ হাজার টাকা। তার স্ত্রী রাজিয়া নার্স হিসেবে ১২শ টাকা বেতনে চাকরি শুরু করে বর্তমানে তার বেতনও ৭ হাজার টাকা হয়েছে।
স্বামী স্ত্রী মিলে মাত্র ১৪ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করলেও ১৫ হাজার টাকায় ভাড়ার ফ্ল্যাট বাসায় থাকেন। ছেলেকে ব্যয়বহুল প্রাইভেট স্কুলে পড়ান। তিনি ১০/১২ বছরের মধ্যে বাড়ি, জমিসহ প্রায় দুই কোটি টাকা মূল্যের সম্পদ অর্জন করেছেন।এতে করে এলাকাবাসির মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে কোন না কোন অবৈধ উপায়ে তিনি এসব সম্পদ অর্জন করেছেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয় হাছান আলী শিয়ালকোল বাজারে ৮ শতাংশ জমি কিনেছেন যার বর্তমান মূল্য ৮০ লাখ টাকা, শিবনাথপুর মৃত মকবুল হোসেনের ১৫শতাংশ জমি ক্রয় করেন, যার মূল্য ৩০ লাখ টাকা, মাঠে আরও ২০ শতাংশ জমি কিনেছেন যার মূল্য ২০ লাখ টাকারও বেশি। এছাড়া শ্বশুরবাড়ি খাগা গ্রামে আরও ২০ লাখ টাকা মূল্যের জমি কিনেছেন। একাধিক ব্যাংকে তার কোটি টাকার ডিপোজিট রয়েছে বলেও অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।
একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাধারণ কর্মচারি হয়েও অল্পদিনের মধ্যে হাছান আলীর বিপুল সম্পদের উৎস্য অনুসন্ধানের দাবি জানানো হয়েছে।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে মো. হাছান আলীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
দুর্নীতি দমন কমিশন পাবনা সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল আলম সরকার বলেন, আমাদের কাছে অনেক অভিযোগ আসে। সেগুলো তিনমাস পর পর যাচাই-বাছাই হয়। যাচাই-বাছাই শেষে তদন্ত শুরু করা হবে।



























আপনার মতামত লিখুন :